হাওজা নিউজ এজেন্সি’র কাশান প্রতিবেদকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাশানের ওয়ালিয়ে ফকিহের প্রতিনিধি আয়োজিত হযরত ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.)-এর শাহাদাতের আজাদারি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিভিন্ন জুমার ইমাম, উলামা, হাওজায়ে ইলমিয়ার শিক্ষক-তালাবা, কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, বেলায়াতের প্রতি আনুগত্য আখেরাতের কল্যাণময় পরিণতির অন্যতম বিষয়। আর নায়েবে ওলিয়ে খোদাকে সাহায্য করা প্রকৃতপক্ষে ইমাম যামান (আ.ফা.)-কে সাহায্য করার শামিল।
হযরত মাসুমা (সা.আ.)-এর উচ্চ মর্যাদার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তিনি শালীনতা, তাকওয়া ও বাসিরাতের প্রতীক। ইসলামী সমাজের নারীদের উচিত তাঁকে হিজাব ও জীবনযাপনের পূর্ণাঙ্গ আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা।
শহীদ জেনারেল কাসেম সোলাইমানির বক্তব্য স্মরণ করে তিনি বলেন, তিনি সর্বদা প্রথম সারির উলামাদের সঙ্গে ওঠাবসা এবং বেলায়াতের প্রতি আনুগত্যের গুরুত্বের ওপর জোর দিতেন। তাই আমাদেরও নায়েবে ইমাম যামান (আ.ফা.)-এর সমর্থনের পথে পদক্ষেপ নিতে হবে।
হিজাব পালনের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের দৃঢ় ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নেতৃত্ব-পরবর্তী সময় নিয়ে ষড়যন্ত্রগুলো জনগণের বাসিরাত ও হেকিমানা রাহবারির মাধ্যমে নস্যাৎ হয়ে যাবে।
তিনি প্রাদেশিক ব্যবস্থাপনার কিছু কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করে বলেন, প্রাদেশিক ব্যবস্থাপনাকে ইলাহি আহকাম বাস্তবায়ন ও আইন মেনে চলার পথে থাকতে হবে এবং দায়িত্ব পালনে আরও পুনর্বিবেচনা ও সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হলো ইসলামী মূল্যবোধসম্মত পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং সমাজে হায়া শক্তিশালী করা। ব্যবস্থাপনাগত বিবেচনার কারণে আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো উপেক্ষা করা উচিত নয়।
আপনার কমেন্ট